ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে নিবন্ধন বিহীন একতা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শারমিন আকতার (২৪) নামে এক প্রসুতি মাতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে প্রসুতির লাশ নিয়ে ঐ ক্লিনিকে হাজির হয় তার ন্বজনরা। তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ক্লিনিকে ভাংচুড় চালানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। শারমিনের বাড়ি পাশ^বর্তী রানীশংকৈল উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামে।
শারমিনের স্বামী আনিসুর রহমান জানান, গত ২১ এপ্রিল পীরগঞ্জ পৌর শহরের মিত্রবাটি নেতার মোড় এলাকার ‘একতা ক্লিনিক’-এ ১১ হাজার টাকার চুক্তিতে তার স্ত্রীকে সিজার (অপারেশন) করানো হয়। সিজারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের পিতা হন তিনি। সিজারের পর তার স্ত্রীকে ক্লিনিকের বিছানায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় এবং রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পরদিন ক্লিনিক কতৃপক্ষ শারমিনকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে ২য় দফায় তার অস্ত্রোপচার করানো হয়।
তার পরেও রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে শারমিনকে দিমেকের আইসিইউ তে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যু হয় শারমিনের। সেখানে হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শারমিনের লাশ নিয়ে বিকালে একতা ক্লিনিকে এসে হাজির হয় স্বজনরা। তারা ক্লিনিক ঘেড়াও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং এর বিচার চান। এ সময় ক্লিনিকে আশ পাশের লোকজনের সমাগম ঘটে। এক পর্যায়ে জনতা ক্লিনিকে ভাংচুড় চালানোর চেষ্টা করে। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে একটি পক্ষের মধ্যস্ততায় টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়।
এবিষয়ে একতা ক্লিনিকের পরিচালক আসলাম জানান, রোগীর অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। হৃদরোগ ও কিডনিসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিল। সিজারের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়। ক্লিনিকে তার মৃত্যু হয়নি। বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রমানিক বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শারমিনের স্বামী আনিসুর রহমান জানান, গত ২১ এপ্রিল পীরগঞ্জ পৌর শহরের মিত্রবাটি নেতার মোড় এলাকার ‘একতা ক্লিনিক’-এ ১১ হাজার টাকার চুক্তিতে তার স্ত্রীকে সিজার (অপারেশন) করানো হয়। সিজারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের পিতা হন তিনি। সিজারের পর তার স্ত্রীকে ক্লিনিকের বিছানায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় এবং রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পরদিন ক্লিনিক কতৃপক্ষ শারমিনকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে ২য় দফায় তার অস্ত্রোপচার করানো হয়।
তার পরেও রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে শারমিনকে দিমেকের আইসিইউ তে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যু হয় শারমিনের। সেখানে হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শারমিনের লাশ নিয়ে বিকালে একতা ক্লিনিকে এসে হাজির হয় স্বজনরা। তারা ক্লিনিক ঘেড়াও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং এর বিচার চান। এ সময় ক্লিনিকে আশ পাশের লোকজনের সমাগম ঘটে। এক পর্যায়ে জনতা ক্লিনিকে ভাংচুড় চালানোর চেষ্টা করে। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে একটি পক্ষের মধ্যস্ততায় টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়।
এবিষয়ে একতা ক্লিনিকের পরিচালক আসলাম জানান, রোগীর অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। হৃদরোগ ও কিডনিসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিল। সিজারের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়। ক্লিনিকে তার মৃত্যু হয়নি। বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রমানিক বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রতিনিধি :